ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলার আন্ত:ইউনিয়ন খেয়াঘাট দরপত্রের মাধ্যমে সর্বোচ্চ দরদাতার কাছে উপজেলার তিনটি খেয়াঘাট ইজারা প্রদান করা হয়।
২৪ মার্চ (সোমবার) বিকেল তিনটায় কেরানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এই দরপত্র খোলা হয়। আন্ত:ইউনিয়ন খেয়াঘাট ইজারায় এবার তিনটি খেয়াঘাট ইজারা দেয়া হয়। ঘাট গুলি হচ্ছে কোন্ডা ইউনিয়নের মোল্লা বাজার খেয়াঘাট, মাওলা খেয়াঘাট ও হযরতপুর ইউনিয়নের হযরতপুর খেয়াখাট।
মোল্লা বাজার খেয়াঘাটটি ৩০ লক্ষ টাকা দর দিয়ে কোন্ডা ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাবেদ হোসেন খোকা সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে রেকর্ড মূল্যে খেয়াঘাটের ইজারা লাভ করেন। এই খেয়াঘাটের সম্ভাব্য ইজারা মূল্য ছিল ৮৩,৬০০ টাকা।
এছাড়াও ২২০০০০/- টাকা সম্ভাব্য মূল্যের কোন্ডা ইউনিয়নের মাওলা খেয়াঘাট ২৫০০০০/- টাকায় রাকিবুল ইসলাম এবং৩৮৫০০/- টাকা সম্ভাব্য মূল্যের হযরতপুর ইউনিয়নের হযরতপুর খেয়া ঘাট মোঃ আক্কাস ৫০০০০/- টাকায় ইজারা লাভ করেন।
এদিকে রেকর্ড মূল্যে মোল্লা বাজার খেয়াঘাটের ইজারা পাওয়া মোঃ জাবেদ হোসেন খোকা জানান, এত বছর সিন্ডিকেটের মাধ্যমে প্রকৃত ইজারার টাকা ভাগবাটোয়ারা করে লোপাট করেছে সাবেক স্বৈরাচারের দোসররা। আমি প্রকৃত মূল্য দিয়ে ইজারা পেয়েছি। ইনশাআল্লাহ জনগণের যেন কোন রকম চাপ না হয় সেদিকে লক্ষ্য রেখে খেয়াঘাট পরিচালনা করবো।
ইজারা কমিটির সভাপতি কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রশাসক রিনাত ফৌজিয়া বলেন, এবছর রেকর্ড মূল্যে ঘাটের ইজারা হয়েছে। বিগত সরকারের আমলে ঘাট গুলো নামমাত্র মুল্যে ইজারা দিয়ে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দেয়া হয়েছে। আপনারা জানেন এই রাজস্ব হতে আমাদের বেতন হয়, বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থায়ন এই রাজস্ব হতে করা হয়। অন্তবর্তীকালীন সরকার ক্ষমতা নেওয়ার পর থেকে প্রশাসনের সব স্থানে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
তিনি ইজারা প্রাপ্তদের ইজারা আদায়কালে জনসাধারণের উপর অনৈতিক চাপ প্রয়োগ করে অতিরিক্ত টাকা আদায় না করার জন্য অনুরোধ জানান।